International Flexi

Ads




International Flexi

Showing posts with label Health Tips/ স্বাস্থ্য সেবা. Show all posts
Showing posts with label Health Tips/ স্বাস্থ্য সেবা. Show all posts

জেনে নিন লেবুর প্রধান উপকারিতা


শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরেই লেবুর উপকারি গুণাগুণ মানুষের জানা। এর মাঝে একটা প্রধান উপকারিতা হলো ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ইত্যাদির তৈরি করা রোগ বালাই দূরীকরণ এবং শরীরের সার্বিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি। আরেকটা হলো হজম শক্তি বাড়ানো এবং যকৃৎ পরিষ্কারের মাধ্যমে ওজন কমানোর ক্ষমতা। লেবুতে সাইট্রিক এসিড এর পাশাপাশি আরও রয়েছে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, বায়োফ্লাভোনোয়েড, পেক্টিন এবং লিমোনিন। এই সবগুলো পদার্থের প্রভাবেই আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে এবং রোগের সাথে শরীর যুদ্ধ করার শক্তি পায়। সকালে এক গ্লাস গরম পানির সাথে লেবুর রস মিশিয়ে পান করলে এসব উপকার সর্বাধিক মাত্রায় পাবে আপনার শরীর। গরম পানি কেন? কারণ ঠাণ্ডা পানির চাইতে গরম পানি শরীরে শোষিত হয় অনেক দ্রুত এবং এর থেকে তত বেশি উপকৃত হবেন আপনি। এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে অর্ধেকটা লেবুর রস মিশিয়ে পান করতে পারেন। আর সকালে উঠে অন্য যে কোনও কাজ করার আগেই এটা পান করবেন। তাহলেই পাবেন এর অসাধারণ সব উপকারিতা।
১) হজমে সহায়ক :
শরীর থেকে অযাচিত পদার্থ এবং টক্সিন বের করে দেয় লেবুর রস। আমাদের হজমের জন্য ব্যবহৃত লালা এবং পাচক রসের সাথে বেশ মিল আছে এর গঠন এবং কাজের। আর যকৃতের থেকে হজমে সহায়ক এক ধরণের পদার্থ নিঃসরণেও এটি সহায়তা করে।

২) ডাইইউরেটিক হিসেবে কাজ করে :
শরীরে মুত্রের পরিমাণ বৃদ্ধি করে এবং এর মাধ্যমে খুব দ্রুত ক্ষতিকর এবং বিষাক্ত পদার্থ শরীর থেকে বের হয়ে যায়। এছাড়া মূত্রনালির স্বাস্থ্য ভালো রাখতেও এটি সহায়ক।

৩) রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় :
লেবুতে থাকে অনেকটা ভিটামিন সি এবং লৌহ যা ঠাণ্ডাজ্বর জাতীয় রোগের বিরুদ্ধে ভীষণ কার্যকর। এতে আরও আছে পটাসিয়াম যা মস্তিষ্ক এবং স্নায়ুকে সক্রিয় রাখে এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রনে সহায়তা করে। এতে থাকা অ্যাসকরবিক এসিড প্রদাহ দূর করে এবং অ্যাজমা বা এজাতীয় শ্বাসকষ্টের সমস্যা কমায়। এছাড়াও কফ কমাতে সাহায্য করে লেবু।

৪) শরীরের পিএইচ মাত্রা ঠিক রাখে :
এর অর্থ হলো শরীরের অম্ল-ক্ষারকের মাত্রা ঠিক রাখে লেবু। লেবু হজম হয়ে যাবার পর কিন্তু আর অম্লীয় থাকে না, ক্ষারীয় হয়ে যায়। ফলে এটি রক্তে মিশে যায় এবং শরীরের অম্লতা বাড়তে দেয় না। অম্লতা বেড়ে গেলেই দেখা দেয় রোগ।

৫) ত্বক পরিষ্কার করে :
ত্বকের কুঞ্চন এবং দাগ দূর করে লেবুতে থাকা বিভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। স্বাস্থ্যোজ্জ্বল ত্বকের জন্য খুব দরকারি হল ভিটামিন সি। ব্রণ বা অ্যাকনি সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া এটি দূর করে। আর ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখতেও এটি কার্যকরী।

৬) আপনার মন ভালো করে দেয় :
সকালেই প্রাণচাঞ্চল্য বাড়িয়ে দিতে এর জুড়ি নেই। খাবার থেকে শক্তি শোষণের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয় লেবু। আর এর গন্ধে আপনার মন ফুরফুরে হয়ে উঠবে নিমিষেই। দুশ্চিন্তা এবং বিষণ্ণতা দূরীকরণেও এটি অসামান্য।

৭) সেরে ওঠার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করে :
ক্ষতস্থান সেরে তুলতে সাহায্য করে অ্যাসকরবিক এসিড। আর হাড়ের স্বাস্থ্য বজায় রাখতেও এটি সহায়ক। স্ট্রেস এবং যে কোনও ধরণের ব্যাথার উপশম করে ভিটামিন সি।

৮) নিঃশ্বাসে আনে তরতাজা ভাব :
নিঃশ্বাসে লেবুর সতেজতা আনা ছাড়াও, এভাবে গরম পানির সাথে লেবুর রস পানে দাঁতের ব্যথা এবং জিঞ্জিভাইটিসের উপশম হয়। তবে এটা পানের পর পরই দাঁত ব্রাশ করবেন না কারণ সাইট্রিক এসিড দাঁতের এনামেল ক্ষয় করে ফেলে। আগে দাঁত ব্রাশ করে তার পর এটা পান করা ভালো। আর লেবুপানি পান করার পর বিশুদ্ধ পানি খেতে পারেন এক গ্লাস।

৯) শরীরে তরলের পরিমাণ ঠিক রাখে :
রাতে ঘুমানোর সময়ে যে পানি খরচ হয় সেটা পূরণ হয়ে যায় সকাল সকাল এই এক গ্লাস পানি পানের মাধ্যমে।

১০) ওজন কমাতে সহায়ক :

লেবুতে প্রচুর পরিমাণে পেক্টিন থাকে। আঁশজাতীয় এই পদার্থ ক্ষুধা নিয়ন্ত্রনে রাখে। ফলে ওজন কমে। গবেষণায় দেখা গেছে, যাদের খাবারে এমন অম্লজাতীয় খাবার কম থাকে তাদের ওজন বাড়ে বেশি।

সময় নেই, ব্যায়াম করব কখন?


আপনি সময় পান না বলে ব্যায়াম করেন না। কিন্তু ভালোভাবেই জানেন, নিয়মিত ব্যায়ামে শরীর মন ভালো থাকে। যাকে বলে জিরো-সাইজ, সেটাও হয়। আজকাল জগিং, সাঁতার, সাইক্লিং—এসব তো চলছেই। চায়ের আসরে সবাই গল্প করে, এই জানিস, আজ হেলথ ক্লাবে না রিয়ার সঙ্গে দেখা, ও বলল…।
আপনি একঘরে হয়ে পড়লেন। তাহলে কী করা? হ্যাঁ, নো প্রবলেম। এরও সমাধান আছে। সময় নেই? ও কিছু না। মাত্র পাঁচ মিনিট। হ্যাঁ, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পাঁচ মিনিটই যথেষ্ট। সকালে বা সন্ধ্যায় কাছের কোনো পার্কে, না হলে একটু নিরিবিলি রাস্তায় জোরসে দৌড়। দিনের জন্য এটাই যথেষ্ট। ফিটফাট শরীর বা জিরো-ফিগার, যা চান সবই পাবেন। ভাবছেন, এটা আবার কোনো ব্যায়াম হলো, বন্ধুরা শুনলে তো হাসবে! আরে না না। অত কাঁচা কাজ কি আপনি করবেন। এটা তো আপনার মস্তিষ্কজাত উদ্ভট ফর্মুলা নয়।
নিউইয়র্ক টাইমস (জুলাই ৩০, ২০১৪) বলছে, ব্যায়াম ও মৃত্যুহার সম্পর্কে ব্যাপক পরিসরে পরিচালিত জরিপে জানা গেছে, দিনে মাত্র পাঁচ মিনিট দৌড়ালে অস্বাভাবিক মৃত্যুহার উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনা যায়। এদের মৃত্যুঝুঁকি অন্তত এক-তৃতীয়াংশ কম। তাঁদের আয়ু, যাঁরা মোটেও ব্যায়াম করেন না তাঁদের চেয়ে গড়ে অন্তত তিন বছর বেশি বলে নিরীক্ষায় জানা গেছে। তার মানে রোগবালাই, কঠিন অসুখ-বিসুখ থেকে দূরে থাকা যায়। মন প্রফুল্ল থাকে। ব্যায়ামের উপকারিতা সম্পর্কে ২০০৮ ফেডারেল ফিজিক্যাল অ্যাকটিভিটি ফর আমেরিকাসে হাজার হাজার নিরীক্ষা প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বলা হয়েছে, সুস্বাস্থে৵র জন্য সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট হাঁটুন। তবে একটু জোরে হাঁটলে বা দৌড়ালে একই উপকারিতা পাওয়া যাবে। দিনে পাঁচ মিনিটের দৌড় সেখান থেকেই এসেছে। প্রতিদিন পাঁচ মিনিট না হাঁটতে পারলে, সপ্তাহে দুই দিন পাঁচ মিনিট করে আর শুক্র-শনি ১৫ মিনিট করে দৌড়ান, আপনি একদম ফিট। জেনে নিন আরও কিছু টিপ্স।


১ যদি নিয়মিত ব্যায়ামের অভ্যাস না থাকে, তাহলে ব্যায়াম শুরু করুন ধীরে ধীরে। প্রথম সপ্তাহে দিনে দুই মিনিট জোরে দৌড়, এরপর পাঁচ মিনিট মাঝারি গতিতে হাঁটা। পরের সপ্তাহে তিন মিনিট করে দৌড়, তিন মিনিট মাঝারি গতিতে হাঁটা। লক্ষ রাখুন, শরীর নিতে পারছে কি না। যদি চাপ পড়ে, তাহলে আরও ধীরে ধীরে গতি বাড়ান। ধীরে ধীরে এক মাসে দিনে পাঁচ মিনিট হাঁটায় অভ্যস্ত হোন।

২ ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন। ভাজাপোড়া, ট্রান্সফ্যাটে তৈরি খাবার নিষেধ।

৩ পরিষ্কার বাতাসে দৌড়ান। ধুলাবালু বেশি থাকলে সমস্যা।

৪ আপনার জন্য ২৩ ঘণ্টা ৪৫ মিনিটে এক দিন। বাকি ১৫ মিনিট আপনার নয়, ব্যায়ামের! এভাবে হিসাব করলে আপনি যত ব্যস্তই থাকুন, দিনে ১৫ মিনিটের ব্যায়াম কঠিন কিছু হবে না।

৫ আপনার বয়স বেশি বা হার্ট-লাংসের সমস্যা থাকলে প্রথমে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

শীতে প্রতিদিন গোসল করা কি ঠিক?


শীতে আবহাওয়া আর্দ্র হয়ে যায়। তাই ত্বক শুষ্ক হয়ে পড়ে। এই সময়ে ত্বকের চাই বাড়তি যত্ন। অনেকেই রয়েছেন, যাঁরা শীতে গোসল করা একটু কমিয়ে দেন। বিষয়টি ভালো না খারাপ, এ নিয়ে কথা বলেছেন বিশিষ্ট চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. আহমেদ আলী। আজ ৫ ডিসেম্বর এনটিভির নিয়মিত আয়োজন ‘স্বাস্থ্য প্রতিদিন’ অনুষ্ঠানের ২২২৬তম পর্বে আলোচনাটি প্রচারিত হয়।   
প্রশ্ন : শীতে ত্বক ভালো রাখার জন্য কী করব, এই বিষয়ে আমরা খুব দ্বিধায় থাকি। কারণ গরম থেকে শীত  আসছে। আবহাওয়ায় একটি পরিবর্তন হচ্ছে। ত্বক ভালো রাখার জন্য এ সময় কী করণীয়?
উত্তর : এই সময় বাতাসের আর্দ্রতা কমে যায়। ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। মূল পরিবর্তন এটি হয়। শুষ্ক হওয়ার পর ত্বক খসখসে হয়ে যায়। যাদের ত্বক এমনিতেই শুষ্ক, তাদের ত্বক ফেটেও যেতে পারে। অনেকেরই ত্বক ফাটা ফাটা হয়ে যায়। এমনকি যাদের বেশি শুষ্ক ত্বক, তাদের ত্বক ফেটে রক্তও বের হয়। যেমন অনেকেই শীতের দিনে পা ফাটার সমস্যায় ভোগে। হয়তো রোগী বলে আমি গরমের দিনে ভালো থাকি, শীত এলে আমার এই সমস্যা বেড়ে যায়। কেবল পা ফাটা নয়, যেসব রোগ শুষ্কতাজনিত যেমন একজিমা, সোরিয়াসিস- এই রোগগুলোর তীব্রতা অনেক বেড়ে যায়। কারণ, বাতাসের আর্দ্রতা কমে যাওয়ার ফলে শুষ্ক হয়ে যায় ত্বক। এই জন্য আমাদের জীবনযাত্রায় বেশ কিছু পরিবর্তন আনা দরকার।
প্রশ্ন : শীতে গোসল করার মাত্রা অনেকে কমিয়ে দেন। এ বিষয়ে কী মনে করেন?
উত্তর : গড়পরতা কথা হলো, দিনে গোসল একবার করতে হবে শীতের দিনের জন্য। তবে যদি কেউ মনে করেন যে তিনি প্রতিদিন না করে একদিন পর পর গোসল করবেন, তাতে খুব বড় রকমের সমস্যা নেই। অনেকে মনে করেন, শীতের সময়ে  প্রতিদিন গোসল করা ঠিক নয়। এটিও ভুল ধারণা, এটি ঠিক নয়। প্রতিদিন গোসল করলেও সমস্যা নেই। আবার যদি কেউ কেউ একটু কমিয়ে দিয়ে একদিন পর পর গোসল করে, এতেও কোনো সমস্যা নেই। মূল কথা হলো, আমাদের শরীরটা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর রাখা দরকার।
তবে এখানে পানির একটি বিষয় আসে। অনেকে গোসলে অতিরিক্ত গরম পানি ব্যবহার করে থাকে। আসলে নিয়মিত অতিরিক্ত গরম পানি ব্যবহার করলে ত্বকের কিছুটা ক্ষতিই হয়। এজন্য পানি স্বাভাবিক তাপমাত্রায় করতে হবে। গরম নয়, স্বাভাবিক। বা কুসুম গরম পানি বলতে আমরা যেটা বুঝি, খুবই হালকা গরম অথবা বেশি ঠান্ডা থেকে স্বাভাবিক করতে হবে। তাহলে ত্বকের জন্য সবচেয়ে ভালো। অনেকে অতিরিক্ত গরম পানি দিয়ে গোসল করে। এটা ঠিক নয়। 
প্রশ্ন : শীতে মাথায় খুশকি বেড়ে যায়। এজন্য প্রতিদিন চুলে শ্যাম্পু দেওয়ার প্রবণতা থাকে। এটি কি ঠিক?
উত্তর : আসলে খুশকি শীতে বেড়ে যায়। অনেকেই রয়েছে যাদের গরমের দিনে কম হয়, শীত এলে খুশকির প্রবণতা বেড়ে যায়। খুশকি আসলে তরুণ বয়স থেকে শুরু করে একটি বয়স পর্যন্ত খুব বিব্রতকর সমস্যা। অনেকেরই এই সমস্যা হয়ে থাকে। কারো কম, কারো বেশি মাত্রায় হয়। আসলে এই জিনিসটিকে কমিয়ে রাখতে হয়। এটি ওষুধ দিলাম আর শেষ হয়ে যাবে, এ রকম বিষয় নয়। বুঝতে হবে যে হঠাৎ ওষুধ খেয়ে নিলেই খুশকি শেষ হয়ে যাবে না। খুশকি অল্প মাত্রায় হলে, খুশকিবিরোধী ডাক্তারি শ্যাম্পু আছে, সেই শ্যাম্পুর উপদেশ দিয়ে থাকি। এতেই কাজ হয়ে যায়। আর যদি তীব্র মাত্রায় হয়, তাহলে শুধু শ্যাম্পুতে কাজ হয় না। সেই ক্ষেত্রে মাথায় লাগানোর জন্য একটি ওষুধ আছে, সেটি দিতে হয়। তাতেও না হলে সাথে খাওয়ার ওষুধ দিতে হয়। এটি তীব্রতার ওপর নির্ভর করে। তবে একটি কথা বলে রাখি, সারা শরীরে যে অনেক ধরনের চর্মরোগ রয়েছে মাথার ত্বকেও অনেক ধরনের চর্মরোগ রয়েছে। কারণ মাথার ত্বক একটি বিশেষ ধরনের ত্বক। কাজেই ওখানে কোনো ধরনের আঁশ উঠলে সাধারণ খুশকি মনে করা ঠিক নয়। কারণ অন্য চর্মরোগ হতে পারে। সেক্ষেত্রে  চিকিৎসা অন্য রকম হতে পারে।
প্রশ্ন : তাহলে সেটি যে সাধারণ খুশকি নয়, সেটি বোঝার কী কোনো উপায় রয়েছে?
উত্তর : অল্প মাত্রায় থাকলে খুশকিই বেশি হয়। যদি খুব মোটা খুশকি হয় এবং তীব্র আকারে হয়, তাহলে একবার অন্তত একজন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞকে দেখানো উচিত নিশ্চিত হওয়ার জন্য।
প্রশ্ন : শরীরে প্রতিদিন সাবান ব্যবহার করা কতটা গুরুত্বপূর্ণ?

উত্তর : বাজারে অনেক ধরনের সাবান রয়েছে। প্রথমত বড়দের সাবান এবং ছোটদের সাবান। ছোটদের জন্য আলাদা সাবান হয়, বড়দের জন্য আলাদা সাবান হয়। প্রথম ভাগ হলো এটা। এরপর একেকজনের ত্বক অনুযায়ী সাবান হয়। তৈলাক্ত ত্বকের জন্য একধরনের সাবান, শুষ্ক ত্বকের  জন্য আরেক ধরনের সাবান। স্বাভাবিক ত্বকের জন্য এক ধরনের সাবান। এটির পার্থক্য বুঝতে হবে। যার যার ত্বক অনুযায়ী সেটি ব্যবহার করলে সবচেয়ে ভালো। তবে শীত আর গরমের তো একটি পার্থক্য থাকবে। কারণ গরমের দিনে তেল ঘাম শরীর থেকে বেশি বের হয়। শীতের দিনে সাবানের ব্যবহার কমিয়ে দিতে হবে। নয়তো ত্বক শুষ্ক হয়ে যাবে। মোট কথা, শরীর যাতে বেশি শুষ্ক না হয় এবং আর্দ্রতা যাতে বজায় থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

ঠোঁটের কালচে ভাব দূর করে গোলাপী আভা ফুটিয়ে তুলুন খুব সহজে


অনেকেরই মুখের ত্বকের তুলনায় ঠোঁট একটু কালচে দেখায়, যা নিয়ে আফসোস করেন প্রায়ই। মূলত খাদ্যাভ্যাসে সমস্যা, ধূমপান করা এবং অতিরিক্ত কেমিক্যাল সমৃদ্ধ লিপ প্রোডাক্ট ব্যবহারে কারণে ঠোঁট কালচে হয়ে আসে। আবার অনেকের যত্নের অভাবে ঠোঁটের 

শীতে আপনার ত্বকের যত্ন নিন


শীতকালে শুষ্ক শীতল হাওয়া ও বাতাসে বেড়ে যাওয়া ধুলাবালুর কারণে ত্বক হয়ে যায় খসখসে ও মলিন। এর ফলে দেখা দেয় নানা সমস্যা, যেমন ত্বক ফেটে যাওয়া, ত্বকে 

জেনে নিন শীতকালে শরীরের উষ্ণতাদায়ক কিছু খাবার সম্পর্কে-

শীতকালের বিভিন্ন ধরনের খাবারের প্রাচুর্যতায় আমরা অনেকেই খুব ভোজনরসিক হয়ে যাই। এর অনেক কারণের মাঝে একটি হলো শীতকালে আমাদের বিপাকক্রিয়ার গতি বেড়ে যায়।
এর কারণ শীতকালীন কিছু খাবার দেহের উষ্ণতা বাড়াতে সাহায্য করে। নির্দিষ্ট খাবারের এই প্রভাবকে খাবারের গতিশীল আচরণ বলা হয়ে থাকে।
5/Health Tips/small-col-left

Online Earn Money

ISLAMIC HISTORY

ADD

Amazon Online

Neewer NW-700 Professional Studio Broadcasting Recording Condenser Microphone

Shop Amazon Online